দৈনন্দিন জীবন

অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ, কেন হয়, কোন পাশে হয়, চিকিৎসা ২০২৪

অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ, অ্যাপেন্ডিসাইটিস কেন হয়, এপেন্ডিসাইটিস হলে করনীয়, এপেন্ডিসাইটিস কোন পাশে হয়, এপেন্ডিসাইটিস ছবি, এপেন্ডিসাইটিস এর ঔষধ, অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা কিনা বুঝে নিন ৭ লক্ষণে, পুরুষের এপেন্ডিসাইটিস কোন পাশে হয়।

ঢাকা বাংলাদেশের সেরা যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

অ্যাপেন্ডিক্স হল আমাদের শরীরের পেটের অভ্যন্তরে ক্ষুদ্রান্ত্র ও বৃহদান্ত্রের সংযোগস্থলে অবস্থিত অন্ত্রের বর্ধিত অংশ।

তৃণভোজী প্রাণীর ক্ষেত্রে অ্যাপেন্ডিক্স এর উপকারিতা প্রমাণিত হলেও মানুষের ক্ষেত্রে এখনো এর কোন উপকারিতার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মূলত অ্যাপেন্ডিক্স হল আমাদের শরীরের একটি অকেজো অঙ্গ।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলো অ্যাপেন্ডিক্সের প্রদাহ বা ইনফেকশনজনিত একটি সাধারণ রোগ, যে রোগে যেকোনো বয়সের লোক আক্রান্ত হতে পারে।

শিশু ও বয়স্কদের এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা কম থাকলেও রোগের তীব্রতা অন্য বয়সের রোগীর তুলনায় ভয়াবহ। সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগ বেশি হয়। ছেলে-মেয়ে উভয়েরই হতে পারে এই রোগ।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস কেন হয়

মা-বাবার কারও এ রোগ থাকলে শিশুদের তা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট খাবার বেশি খেলে, আঁশজাতীয় খাবার যেমন ফলমূল ও শাকসবজি কম খেলে অ্যাপেন্ডিসাইটিস হতে পারে।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস এর লক্ষণ

পেট ব্যথা পেটের নাভির চারপাশ থেকে শুরু হয়ে পরে তলপেটের ডান পাশে স্থায়ী হয়। বমি বা বমি ভাব, হালকা জ্বর ও ক্ষুধামন্দা ।

এসব লক্ষণ দেখা দিলে দেরি করা যাবে না। যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে। 

এপেন্ডিসাইটিস কোন পাশে হয়?

Appendicitis – অ্যাপেন্ডিসাইটিস হলে পেটে ব্যথা হবেই। চিকিৎসকদের মতে, শরীরের ডান দিকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস থাকলেও ব্যথার শুরু কিন্তু ওই দিক থেকে নাও হতে পারে। তবে, এই ব্যথা শুরু হয় সাধারণত নাভির চার পাশে যা ক্রমশ ছড়াতে থাকে ডান দিকে।

এপেন্ডিসাইটিস ফেটে গেলে কি হয়?

অ্যাপেন্ডিসাইটিস চিকিৎসা না করালে গুরুতর সমস্যা তৈরি হতে পারে। তা মৃত্যুর কারণও হতে পারে।

এমনই এক জটিল অবস্থা হচ্ছে পেরিটোনাইটিস। অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে পেটের সর্বত্র এর ভেতরের জীবাণু ছড়িয়ে পড়লে এমন অবস্থা তৈরি হয়।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগ নির্ণয়

এ রোগ ডাক্তার কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই রোগীর উপসর্গ দেখে এবং ক্লিনিক্যাল এক্সামিনেশন (সিএ) করে নির্ণয় করতে পারেন।

তবে কিছু ক্ষেত্রে রক্ত পরীক্ষা, এক্স-রে, আলট্রাসাউন্ড পরীক্ষারও প্রয়োজন হতে পারে।

অ্যাপেন্ডিসাইটিস চিকিৎসা  

সাধারণত নারীদের তুলনায় পুরুষদের অ্যাপেন্ডিসাইটিস রোগ বেশি হয়। যেকোনো বয়সেই রোগটি হতে পারে।

তবে ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীদের এ রোগ হওয়ার হার বেশি। শল্যচিকিৎসা ছাড়া অ্যাপেন্ডিসাইটিসের কোনো চিকিৎসা নেই।

অপারেশন করে অ্যাপেন্ডিক্স ফেলে দেওয়াই এ রোগের একমাত্র চিকিৎসা। ওপেন বা ল্যাপারোস্কপি (পেট না কেটে) উভয় পদ্ধতিতে অপারেশন করা যায়। 

অ্যাপেন্ডিসাইটিস জটিলতা 

জেনারেল সার্জারিতে অ্যাপেন্ডিক্সের অস্ত্রোপচার বিশ্বে সবচেয়ে বেশি হয়। খুব সাধারণ রোগ হলেও সময়মতো চিকিৎসা না করালে অ্যাপেন্ডিসাইটিস হতে পারে জীবনসংহারী।

অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে যেতে পারে, পেটে পুঁজ জমতে পারে, সেপসিসের আশঙ্কা থাকে, ভবিষ্যতে বারবার এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবেই।তাই এ রোগ সম্পর্কে জানা আর সচেতন থাকা জরুরি। 

অ্যাপেন্ডিক্স এর ব্যথা কিনা বুঝে নিন ৭ লক্ষণে, এপেন্ডিসাইটিস হলে করনীয়, এপেন্ডিসাইটিস কেন হয়, এপেন্ডিসাইটিস অপারেশন খরচ, এপেন্ডিসাইটিস ছবি।

এপেন্ডিসাইটিস ফেটে গেলে কি হয়, এপেন্ডিসাইটিস এর ঔষধ, এপেন্ডিসাইটিস এর পরীক্ষা।

Related Articles

Back to top button
error: